Home / Others / বাতাস থেকে উৎপাদন হবে পানি, সাফল্য নাকি ধ্বংসের শুরু ?

বাতাস থেকে উৎপাদন হবে পানি, সাফল্য নাকি ধ্বংসের শুরু ?

সম্প্রতি চীনের এক গবেষণা টিম সুনামি প্রডাকশন এর আবিস্কার সারা বিশ্বে আলোচনা সৃস্টি করেছে। বাতাস থেকে পানি উৎপাদন। শুনতেই অবাক লাগছে তাইনা? হ্যা এটাই সত্যি তারা এটা করতে সফল হয়েছে। যে স্থানের বাতাসে আদ্রতা বেশী সেই যায়গার বাতাস থেকে তারা অক্সিজেন ও কারবন ডাই অক্সাইড কে আলাদা করে ফেলতে পেরেছে তাদের অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে।

কিন্তু আদৌ কি এটা আমাদের জন্য সুফল হয়ে এসেছে নাকি নেমে আসলো কোনো নতুন অভিশাপ এর শুরু? চলুন বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।

সমুদ্র নদ নদী খাল বিল পুকুর থেকে সূর্য এর তাপে পানি বাস্প হয়ে বাতাসের মাধ্যমে আকাশে মেঘ এর সৃস্টি হয় সেই মেঘ থেকে বৃস্টি পাত হয়ে আবার ফিরে আসে বিশুদ্ধ খাবার পানি হয়ে।

চীনা প্রযুক্তির এই মেশিন টি বাতাস থেকেই পানির সেই আদ্রতা শুসে নিয়ে খাবার পানিতে রুপ দিচ্ছে এর ফলে প্রকৃতির নিজস্ব সিস্টেম এ ব্যাঘাত ঘটছে হাজার কোটি বছর ধরে পৃথিবী যেভাবে নিজের পানির ব্যাবস্থা করে রেখেছে এখন মানুষ সেই ব্যাবস্থা পনায় নিজের হাত দিতে চলেছে।

প্রবাদ আছে প্রকৃতির সংগে পাংগা না নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ এতে ধংস ছাড়া কিছু ভালো ফল আসে নাই কখনো আর আসবেও না।

বাতাস থেকে পানি কে আলাদা করতে প্রচুর পরিমান শক্তির প্রয়োজন মেশিন টির আপাতত সেই শক্তি সোলার প্যানেল এর সাহায্যেই যোগানো হচ্ছে।

কিন্তু আমরা এখন একটা দুটো মেশিন নিয়ে কথা বলছি যখন প্রজেক্ট টি সম্পূর্ণ ভাবে পরিচালণা করা হবে তখন হাজার হাজার লাখ লাখ মেশিন চালানোর জন্য সবাই সোলার প্যানেল এর ভরসায় থাকবে না তখন ঠিক জ জালানি তেল এর দিকেই হাত বাড়াবে সবাই কারণ সেটিই সহজলভ্য কিন্তু সেটির দিকে সবাই ঝুকে পড়লে এমনিতেও যেখানে জালানি সংকট সেখানে তখন কেমন দূরভিক্ষ হবে ভাবুন একবার।

বাতাস থেকে আমরা অক্সিজেন নিয়ে শাস প্রশাস এর কাজ চালাই এবং বেচে থাকি। যখন বাতাসে অক্সিজেন এর মাত্রাই কমে যাবে এই মেশিন এর জন্য তখন আমরা আমদের বেচে থাকার জন্য পরযাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন এর যোগান পাবো তো ?

পরিমাণের দিক থেকে শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।

সম্প্রতি একদল পরিবেশ বিদদের মতামতের কাছে বায়ুমণ্ডলীয় বায়ুর অবস্থা ভীসন উদ্বেগের বিষয় হয়েছে। যুগের সাথে শিল্পের বিকাশের এবং তার সাথে পরিবেশগত ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।

উদ্ভিদ এবং শিল্প অঞ্চলগুলি কেবল বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে ওজোন স্তরটিকে ধ্বংস করে না, বরং বাতাসের স্বাস্থ্যকর গুণকেও ক্রমান্বয়ে হ্রাস করে।

তাই উন্নত দেশগুলিতে বায়ু পরিবেশ রক্ষার জন্য ব্যাপক ব্যবস্থা গ্রহণের রীতি রয়েছে।

সুরক্ষার মূল দিকনির্দেশ:

আইন প্রণয়ন

জলবায়ু এবং ভৌগলিক কারণগুলিকে বিবেচনায় রেখে শিল্প অঞ্চল স্থাপনের জন্য সুপারিশগুলির বিকাশ।

নির্গমন পরিমাণ হ্রাস করার ব্যবস্থা।

উদ্যোগগুলিতে স্যানিটারি এবং স্বাস্থ্যকর নিয়ন্ত্রণ।

রচনাটির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।

অবশেষে আমাদের কে জানান এ বিষয় এ আপনাদের কি মতামত..? এ টা কি আমাদের জন্য আশীর্বাদ নাকি অভিশাপ ?

Check Also

বন্ধ হয়ে গেলো ইন্ডিয়ান সকল জালাময়ী সিরিয়াল

শুধু ইন্ডিয়া নয় বিদেশী সকল চ্যানেল যেগুলি অনুসঠান এর পাশাপাশি বিজ্ঞাপন প্রচার করে সেই সকল …

Leave a Reply

Your email address will not be published.