Home / How To / সহজেই ব্লগিং করে অনলাইন থেকে উপার্জনের চমৎকার পদ্ধতি

সহজেই ব্লগিং করে অনলাইন থেকে উপার্জনের চমৎকার পদ্ধতি

অনলাইনে ব্লগিং করে অর্থ উপার্জনের প্রায় হাজার হাজার উপায় রয়েছে এবং এই সবগুলি প্রতিটি ব্লগারদের প্রচুর আয় এর মাধ্যমে তাদের অবস্থার বৃদ্ধি করে। ব্লগিং কে ক্যারিয়ার হিসাবে নিতে চাইলে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে । ভয়ের কিছু নেই আপনাকে মাথায় গামছা বেধে শারিরিক পরিশ্রম করতে হবে না। কম্পিউটার এর সামনে বসে টাইপিং করেই এই সম্ভব। এই আরটিকেল টি তে আমি ৫ টি ব্লগিং থেকে উপার্জন টিপস এবং কৌশল শেয়ার করতে চাই যা আসলে প্রত্যেক ব্লগারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই পোস্টটি নতুন এবং বিশেষজ্ঞ ব্লগার উভয়ের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বন্ধুরা, আপনি যদি ব্লগিং দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই এই ৫ টী পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিৎ।

1. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

ব্লগিং এর বিশ্ব জুড়ে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ই হচ্ছে রাজা । অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নেই । আপনি অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম ব্যবহার করে সীমাহীন অর্থ আয় করতে পারেন। কারণ আপনি কতটা করেন তার কোন সীমাবদ্ধতা এখানে নেই। বেশিরভাগ এক্সপার্ট ব্লগার দের প্রথম লক্ষ্য হল অ্যাফিলিয়েট ব্লগ থেকে আয় করা। যদি আপনার একটি অ্যাফিলিয়েট ভিত্তিক ব্লগ থাকে, তাহলে টাকা আয় করার জন্য বিশাল নাম্বার এর ট্রাফিকের প্রয়োজন নেই। কিছু মানসম্পন্ন ট্রাফিক ই আপনাকে মোটা অংকের টাকা এনে দিতে পারে কারণ তারা আপনার ব্লগে এসেছে শুধুমাত্র কোন পণ্যের বিস্তারিত জানার জন্য। পড়ার পরে, তারা এই পণ্যটি কিনতে আগ্রহী হলেই আপনার কেল্লা ফতে।

বিশ্ব জুড়ে প্রায় কয়েক মিলিওন প্রাইভেট এফিলিয়েট প্রোগাম বেজড ওয়েবসাইট রয়েছে কিন্তু ব্লগাররা তাদের প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেয় এমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রামিং কেই। কারণ তারাই ব্লগারদের কে সরবোচ্চ মুনাফা দিয়ে থাকে। আপনার অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট ব্লগে যদি মাসে কমপক্ষে ১০০০-১৫০০ ভিজিটর থাকে তবে আপনি প্রতি মাসে ন্যূনতম $৮০০ ডলার বা ৭০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। তাহলে ভাবুন সাকসেসফুল ব্লগাররা কেনো এফিলিয়েট মারকেটিং নিয়ে কাজ করে আপনি যদি এটি নিয়ে সঠীক ধারণা পেয়ে জান তবে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে সফল হবেন।

2. গুগল অ্যাডসেন্স

এর আগে আমি বলেছিলাম যে ব্লগাররা অ্যাফিলিয়েটকে টার্গেট করে সব থেকে বেশী কিন্তু সব ধরনের ব্লগারদের স্বপ্ন হচ্ছে একটি অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট পাওয়া। কারণ তারা তাদের পাব্উলিশার দের কে হাই সিপিসি প্রদান করে। অর্থাৎ, আপনি প্রতি এড ক্লিকের জন্য ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন। সুতরাং, এটি ব্লগিং দ্বারা দ্বিগুণ উপার্জনের আরেকটি স্মার্ট উপায়। এখানে আপনি এফিলিয়েট এর চেয়ে বেশি আয় করতে পারেন। আপনার ব্লগিং এর টপিক যদি হাই সিপিসি এর হয়ে থাকে তবে তো কথাই নেই একটী ব্লগ থেকে মাসিক আপনি কয়েক হাজার ডলার আয় করতে পারেন চোখ বুজে হাহা চোখ বুজলে ব্লগ লিখবেন কিভাবে তাই চোখ খোলা রাখা জরুরী। এক জরিপে দেখা গিয়েছে অ্যাডসেন্স ব্লগ ব্যবহার করে, প্রতি মাসে $ ৫০,০০০ ডলার পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন একজন ব্লগার।

3. স্পনসরড পোস্ট বিক্রি করা

আপনার ওয়েব সাইটে যদি অতিমাত্রায় মাসিক ভিজিটর থেকে থাকে তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে স্পন্সরড পোস্ট হিসাবে মাসিক ভাবে ভাড়া নিতে পারেন। যারা নতুন ওয়েবসাইট করে বা যাদের ওয়েবসাইটে ভিজিটর নেই বললেই চলে তারা এমন ওয়েবসাইট খোজে যেখানে অনেক ভিজিটর আসে মাসিক ভাবে তারা সেই ওয়েবসাইট ভাড়া নেয় পোস্ট করার জনা। এটাও ইনকামের ভালো একটী মাধ্যম।

4. এসইও সেবা প্রদান

প্রফেশনাল ব্লগাররা মনে করেন যে আপনি যদি একজন ভালো মানের এসইও এক্সপার্ট হতে পারেন তাহলে মাত্র কয়েক বছরেই আপনি কোটিপতি হতে পারবেন নিজের এসইও সেবা বিক্রি করে কিংবা নিজের ব্লগিং এ কাজে লাগিয়ে। আবার ভিডিও টিউটোরিয়াল এবং এসইও টুলস বিক্রি করার মাধ্যমে।

5. কন্টেন্ট রাইটিং

অনলাইন থেকে আয়ের প্রায় হাজার উপায় আছে। অন্যদের ওয়েবসাইট এ কন্টেন্ট লেখার মাধক্সমে আয় করা তার মধ্যে অন্যতম একটি। অনেক ব্লগ ওয়েবসাইট আছে যারা আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটে লেখালেখি করার জন্য পে করবে। তো গুগল এ খুজে নিন এমন ওয়েবসাইট এবং আপনার যদি লেখার অভিজ্ঞতা টযালেন্ট থাকে তবে শুরু করে দিন কাজ করা আর আয় করুন ঘরে বসেই।

ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করার এবং ধনী হওয়ার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। আপনাকে শুধু সঠিক উপায় খুজে নিতে হবে যা আপনার মানসিকতার সংগে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.